Monday, October 5, 2020

যতই গরম পড়ুক, আপনার ত্বক থাকবে হিমশীতল




যত দিন যাচ্ছে গরম ততই বাড়ছে। আর এই লকডাউনের দিনকালে একটু যে খোলা মনে হাওয়া খাবেন তারও উপায় নেই! বাড়ির বাইরে বেরোলেই মাস্কে ঢেকে রাখতে হচ্ছে নাকমুখ। ফলে গরমে ঘাম জমে বিশ্রী অবস্থা হচ্ছে মুখচোখের। স্বাভাবিকভাবেই এই অবস্থা চলতে থাকলে ব্রণ, ফুসকুড়ি, র‍্যাশের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে, আর সেজন্যই ত্বকের শীতলতা বজায় রাখা খুবই দরকার। এই সময় পর্যাপ্ত জল, ফলের রস খাওয়া যেমন জরুরি, তেমনি দরকার ত্বককে বাইরে থেকে ঠান্ডা রাখা। জেনে নিন কীভাবে কী করলে প্রবল গরমেও আপনার ত্বক থাকবে ঠান্ডা।


মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিন

বাইরে থেকে ঘরে ঢুকে যেমন ভালোভাবে হাত-পা ধোবেন, তেমনি মুখেও বারবার ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিন। সঙ্গে ব্যবহার করুন শসা বা মিন্টের নির্যাস যুক্ত ফেসওয়াশ। ঘরে থাকার সময়ও নির্দিষ্ট সময় অন্তর জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে পারেন। তবে ফেসওয়াশ ব্যবহার করার দরকার নেই।


হাতের কাছে রাখুন ফেসিয়াল মিস্ট

বারবার মুখে জল দিতে ইচ্ছে না করলে ব্যবহার করতে পারেন ফেস মিস্ট। বারদুয়েক স্প্রে করে নিন মুখে, ত্বক থাকবে তরতাজা, সুগন্ধি।


ক্রিম, ময়শ্চারাইজার ফ্রিজে রাখুন

ময়শ্চারাইজার, ক্রিম, বডি লোশনের মতো ত্বক পরিচর্যার সামগ্রী ফ্রিজে রাখার দুটো উপকারিতা আছে। এক, ফ্রিজে রাখলে এ সব জিনিসের কার্যকারিতা অনেক বেড়ে যায়, চট করে নষ্ট হয় না, আর দুই, ত্বক ঠান্ডা থাকে।


চাই ত্বক শীতল রাখার মাস্ক

ত্বক ঠান্ডা রাখতে চাইলে আস্থা রাখুন শসায়। গরমে ত্বক চিড়বিড় করলে, জ্বালা করলে শসার মাস্ক নিমেষে স্নিগ্ধতা জোগাবে। শসা ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিন। তারপর থেঁতো করে রস বের করুন। তুলোয় করে এই রস নিয়ে মুখে মাখুন। পুরো শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলবেন। এতে ত্বক শীতল তো থাকবেই, ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় থাকবে।


আইস আইস বেবি

ত্বক দ্রুত ঠান্ডা করতে হলে বরফের চেয়ে ভালো উপায় আর কী হতে পারে! পরিষ্কার রুমালে বরফ মুড়ে মুখে আলতো করে বুলিয়ে নিন। মুখের প্রদাহ কমবে, রক্ত সংবহন বেড়ে মুখের উজ্জ্বলও দেখাবে।

পরের স্টোরি :

পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার এত কাজে লাগে জানতেন?

মন্তব্য

পরের স্টোরি

ফেমিনা বাংলা সৌন্দর্য ত্বক  পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার এত কাজে লাগে জানতেন?

পেট্রোলিয়াম জেলি আপনার এত কাজে লাগে জানতেন?

লিখছেন মনীষা দাশগুপ্ত | May 10, 2020, 12:00 AM IST

পেট্রোলিয়াম জেলির নানান কাজ


খুব সাধারণ দেখতে একটা সাদা রঙের কৌটো, তাতে আরও সাদামাটা নীল ঢাকনা। কৌটোর ভিতরে রংহীন গন্ধহীন একটা সাদা জমাট তেলতেলে বস্তু। যখন বাহারি ক্রিম লোশন ময়শ্চারাইজারের সম্ভার বাজারে আসেনি, সে সময় ত্বকচর্চায় একমাত্র ভরসা ছিল এই সাদা কৌটো। শীতের দিনে ফাটা গোড়ালি, শুকনো কনুইয়ের যত্নই হোক বা সারা বছরের ঠোঁট ফাটা, সব কিছুরই তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব ছিল সাদা কৌটোর উপর, যার পোশাকি নাম পেট্রোলিয়াম জেলি।


তবে পুরোনো চাল ভাতে বাড়ে! তাই নানান রংবেরঙের সুগন্ধি ময়শ্চারাইজার, সিরাম, ফেস ক্রিম সত্ত্বেও কোণঠাসা হয়নি পেট্রোলিয়াম জেলি। বরং নিজের জায়গাটা দিব্যি ধরে রাখতে পেরেছে। বহু বাড়িতেই তার নিয়মিত উপস্থিতি। এখনও হাত-পা শুকনো লাগলে, ঠোঁট ফাটলে পেট্রোলিয়াম জেলিই ব্যবহার করেন অনেকে। তবে জানেন কি, শুধু এটুকুই নয়, আপনার চিরপরিচিত পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে আরও অনেক কাজ সেরে ফেলতে পারেন আপনি? অবাক হচ্ছেন? তা হলে পড়তে থাকুন।


সুগন্ধী দীর্ঘস্থায়ী করতে

পছন্দের পারফিউম মাখার আগে পালস পয়েন্টগুলোয় সামান্য পেট্রোলিয়াম জেলি ঘষে নিন। গন্ধ অনেকক্ষণ থেকে যাবে।


অবাধ্য চুল পোষ মানাতে

মুখে কুচো চুল উড়ে এসে পড়ছে? আঙুলে অল্প পেট্রোলিয়াম জেলি নিয়ে ঘষে চুলের উপর বুলিয়ে দিন। ভুরুর শেপ সুগঠিত করতেও পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন।


ঘরোয়া হাইলাইটার হিসেবে

মুখে বাড়তি উজ্জ্বলতা আনতে হাইলাইটারের দরকারই নেই! মুখের হাই পয়েন্টগুলোয় খুব অল্প পেট্রোলিয়াম জেলি ড্যাব করে নিলেই মুখ স্নিগ্ধ আর উজ্জ্বল দেখাবে।


দাগ তুলতে

জামায় মেকআপের দাগ লেগে গেছে? পাতলা সুতির কাপড় ভিজিয়ে তাতে অল্প পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে দাগের উপর ঘষুন। দাগ উঠে যাবে দ্রুত।


মেকআপ রিমুভার হিসেবে

হাতের কাছে পেট্রোলিয়াম জেলি থাকতে দামি মেকআপ রিমুভার কিনতে যাবেন কেন? মুখে ভালো করে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে নিন, তারপর তুলো দিয়ে মুছে ফেলুন। লিপস্টিক, কাজল, মাস্কারা, সব উঠে যাবে নিমেষে। এমনকী, ওয়াটারপ্রুফ মেকআপও ঝটপট উঠিয়ে দিতে পারে পেট্রোলিয়াম জেলি।


নিখুঁত নেল পলিশ পরতে

নখে নেল পলিশ পরতে গিয়ে নখের বাইরে লেগে যায়, কিছুতেই নিখুঁত হয় না? সেরকম হলে নেল পলিশ পরা শুরু করার আগে নখের চারপাশের চামড়ায় অল্প পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে নিন। তা হলে রং ধেবড়ে গেলেও ত্বকে এঁটে বসবে না, হালকা করে মুছে নিলেই উঠে যাবে আর আপনার নেল পলিশ ফিনিশিং হবে একদম নিখুঁত!

No comments:

Post a Comment